বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের ওপর হামলার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। আলোচিত এ হামলার দায় আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। ভারতে তিনি ‘বিজয় দাস’ ছদ্মনামে বসবাস করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করে সাজা কমানোর আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সাইফ আলী খানের বাসভবনে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন শরীফুল। সেখানে তাকে দেখে ফেললে ধারাল অস্ত্র দিয়ে সাইফের ওপর একাধিকবার হামলা চালান তিনি।
ঘটনার দুই দিন পর থানে এলাকা থেকে শরীফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তবে ঘটনার শুরুতে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন শরীফুল। আদালতে হাজির হয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, সাইফ আলী খানের বাড়িতে তিনি প্রবেশ করেননি এবং তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
কিন্তু বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর গতকাল শুক্রবার মুম্বাইয়ের বিচারক মাহেশ রামরাওয়ের সেশন আদালতে হাজির হয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন তিনি। এ সময় সাইফ আলী খানের ওপর হামলার কথা সরাসরি স্বীকার করেন শরীফুল।
তার আইনজীবী ভিপুল দুসিং জানান, নিজের কৃতকর্মের জন্য শরীফুল লজ্জিত ও অনুতপ্ত। এ কারণেই তিনি আদালতের কাছে অপরাধ স্বীকার করে কম সাজা দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শরীফুলের বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাতে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
মামলাটির বিচারকাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যেই অভিযুক্তের এমন দায় স্বীকারের ঘটনায় সাইফ আলী খানের ওপর হামলার মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সাইফ আলী খানের বাসভবনে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন শরীফুল। সেখানে তাকে দেখে ফেললে ধারাল অস্ত্র দিয়ে সাইফের ওপর একাধিকবার হামলা চালান তিনি।
ঘটনার দুই দিন পর থানে এলাকা থেকে শরীফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তবে ঘটনার শুরুতে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন শরীফুল। আদালতে হাজির হয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, সাইফ আলী খানের বাড়িতে তিনি প্রবেশ করেননি এবং তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
কিন্তু বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর গতকাল শুক্রবার মুম্বাইয়ের বিচারক মাহেশ রামরাওয়ের সেশন আদালতে হাজির হয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন তিনি। এ সময় সাইফ আলী খানের ওপর হামলার কথা সরাসরি স্বীকার করেন শরীফুল।
তার আইনজীবী ভিপুল দুসিং জানান, নিজের কৃতকর্মের জন্য শরীফুল লজ্জিত ও অনুতপ্ত। এ কারণেই তিনি আদালতের কাছে অপরাধ স্বীকার করে কম সাজা দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শরীফুলের বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাতে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
মামলাটির বিচারকাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যেই অভিযুক্তের এমন দায় স্বীকারের ঘটনায় সাইফ আলী খানের ওপর হামলার মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে।
বিনোদন ডেস্ক